,

বরিশাল সরকারি পলিটেকনিকে শিক্ষার্থীদের খাতা আবার মূল্যায়নের দাবিতে অধ্যক্ষের রুমের সামনে অবরোধ

বরিশাল সরকারি পলিটেকনিকে শিক্ষার্থীদের খাতা আবার মূল্যায়নের দাবিতে অধ্যক্ষের রুমের সামনে অবরোধ

সৈয়দ মোঃ মুসফিকুর ইউসুফ মারুফ

বপই প্রতিনিধি : সরকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কলেজে ২য় সেমিস্টার (ইমপ্রুভ) পরিক্ষার ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ সহ অসৎ উপায়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ননটেক শাখার শিক্ষার্থীরা। তারা গনমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯সালে অনুষ্ঠিত হয় ২য় সেমিষ্টারের (ইমপ্রুভ) পরিক্ষা। সেখানে প্রায় ২শ শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন। পরিক্ষা শেষে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয় ইমপুরুভমেন্ট পরিক্ষার ফলাফল । সেখানে অনেক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হলেও প্রায় ৬০জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হন। তাদের মধ্যে রয়েছে সিভিল, কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিকাল, পাওয়ার, ইলেকট্রোমেডিকেল ও মেকানিকালের শিক্ষার্থীরা। আর অকৃতকার্য হওয়ার ফলে তারা ৩য় সেমিষ্টারের ফরম ফিলাপ করতে বাধাগ্রস্থ হন। এতে তারা হতাশ সহ অসন্তোস প্রকাশ করেন এবং সাথে সাথে অভিযোগ করেন তাদের খাতা ইর্ষান্বিত ভাবে দেখা হয়েছে । ফলে তারা অকৃতকার্য হয়েছে। এ কারনে তারা পরিক্ষার খাতা পুনরায় দেখার দাবী জানান। তারা আরো বলেন যেসব শিক্ষার্থী তেমন মেধাবী না তারাও এবার পরিক্ষায় পাশ করেছে কেননা তারা বিভিন্ন স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়ে। আর যারা কলেজে বিভিন্ন স্যারদের কাছে প্রাইভেট পড়ে তাদের মেধা খারাপ হলেও পাশ করে যায়। তারা অভিযোগ করে আরো বলেন, বিভিন্ন শিক্ষকরা ১থেকে দেড় হাজার টাকা নিয়ে প্রাইভেট পড়ায়। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী রাজু,রাজন,পাভেল,হিমু, মুশফিক,সামিয়া এরা জানান, কলেজে শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়লে নিশ্চিত পাশ করা যায়। যারা পড়ে তারা সবাই পাশ করে। ৩৬ পাশ মার্ক হলেও ১৮/২০ পেলেই অনেকে পাশ করে। কিছু অসাধু শিক্ষকের বিরুদ্ধে খাতায় লিখে পাশ করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তাদের কাছে উপোযুক্ত প্রমাণাদি রয়েছে। টাকা দিলেই পাশ, না দিলে ফেল এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজন্য তারা শিক্ষার্থীদের সামনে খাতা দেখার দাবি জানান। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ জনাব রুহুল আমিন বলেন, আমি এ বিষয় সম্পর্কে অবগত রয়েছি এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি,এরকম অনৈতিক কর্মকান্ড অনেক আগে থেকে হচ্ছে। কিন্তু আমরা উপোযোক্ত প্রমাণ এর অপেক্ষায় ছিলাম।আমাদের দাবি যৌক্তিক। বিষয়টি খতিয়ে না দেখলে অনেক শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে একটি বছর নষ্ট হয়ে যাবে।পাশাপাশি দূর্নীতিবাজ শিক্ষকদের বিচারের আওয়ায় আনতে হবে।